
দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং পিটিআইয়ের প্রাত্যহিক সমাবেশকালে নতুন শপথবাক্য পাঠ করানোর নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) দপ্তরটির পলিসি ও অপারেশন বিভাগের পরিচালক লুৎফুর রহমানের স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশ দেয়া হয়।
সাধারণত ক্লাস শুরুর আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সরকারি-বেসরকারি প্রাত্যহিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ‘অ্যাসেম্বলি’ নামে পরিচিত এই সমাবেশে হালকা শরীর চর্চার পাশাপাশি শপথবাক্য পাঠ করানো হয়। এ ক্ষেত্রে কোথাও কোথাও প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব শপথ পড়ানোর রেওয়াজ আছে। অভিন্ন না হলেও এসব শপথের প্রধান মর্মার্থ দেশপ্রেম। এ ছাড়া জাতীয় প্রায় সব প্রতিষ্ঠানেই জাতীয় সংগীত পাঠ করানো হয়।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ডিসেম্বরে স্কুল-কলেজ, মাদরাসায় নতুন শপথ পাঠ করার বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেয় সরকার। পুরোনো শপথবাক্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম ছিল, নতুন শপথবাক্যে তা বাদ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নতুন শপথবাক্য পাঠ করানোর জন্য দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক স্কুল এবং পিটিআইকে নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
নতুন শপথবাক্য: ‘আমি শপথ করিতেছি যে, মানুষের সেবায় সর্বদা নিজেকে নিয়োজিত রাখিব। দেশের প্রতি অনুগত থাকিব। দেশের একতা ও সংহতি বজায় রাখিবার জন্য সর্বদা সচেষ্ট থাকিব। হে মহান আল্লাহ/ মহান সৃষ্টিকর্তা, আমাকে শক্তি দিন, আমি যেন বাংলাদেশের সেবা করিতে পারি এবং বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী ও আদর্শ রাষ্ট্র হিসেবে গড়িয়া তুলিতে পারি। আমিন।’